প্রচ্ছদ জীবন-যাপন

যমজ পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক!

44
যমজ পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক!

যমজ পুত্রসন্তানের বাবা হয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। সোমবার (১৪ মে) দিবাগত রাতে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে যমজ

সন্তান জন্ম দেন রেলমন্ত্রীর স্ত্রী হনুফা আক্তার রিক্তা। এর আগে ২০১৬ সালের ২৮ মে রেলমন্ত্রী কন্যা সন্তানের বাবা হন।

রেলমন্ত্রীর একান্ত সচিব এ. কে. এম. জি. কিবরিয়া মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মা ও সন্তান দুটি সুস্থ আছেন। ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর কুমিল্লার চান্দিনার বাসিন্দা হনুফা আক্তার রিক্তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন রেলমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, জীবনের পড়ন্ত বেলায় ৬৭ বছর বয়সে ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল চারটায় আনুষ্ঠানিকভাবে কনে হনুফা আক্তার রিক্তার সাথে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। তার বিয়ে পড়ান মীরাখলা গ্রামের কাজী মাও: ছিদ্দিকুর রহমান। বিয়েতে দেন মোহর ধরা হয় ৫ লাখ ১ টাকা। মোহরানার পুরোটাই পরিশোধ করেছেন বর মুজিবুল হক।

মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, সংসদ সদস্য দলের নেতাকর্মীসহ প্রায় ৬শ বরযাত্রী নিয়ে বিকেল তিনটায় কনের পিত্রালয়ে এসে পৌছেন বর। প্রায় তিন শতাধিক গাড়ির বহর চান্দিনার মীরাখলা গ্রামে এসে পৌছলে রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বরপক্ষ কনের পিত্রালয়ে পৌছার সাথে সাথে ভিআইপি প্যান্ডেলে আপ্যায়ন করা হয়। খাবারের তালিকায় ছিলো কুমিল্লার রসমালাই, মিস্টান্ন জর্দা, বোরহানী ও পোলাও। বরের জন্য স্পেশাল খাবার ছিল ১৬ কেজি ওজনের স্পেশাল রোস্ট। ১০টি ইলিশ ছাড়াও গ্রামী রীতি অনুযায়ী ১০টি আস্ত মুরগীর রোস্ট পরিবেবশন করা হয় বরের জন্য।

এরপর বরের বড় বোন কনের কাছে পৌছেন দেন গহনা, কসমেটিক্স ও বিয়ের শাড়ি। বিয়েতে কনের জন্য দেয়া হয় দুই ব্রিফকেস কসমেটিক্স। কনের জন্য দেশী শাড়ি কেনা হয়েছে ৪০ হাজার টাকায়।বিয়েতে বরের পক্ষে সাক্ষী হয়েছেন- চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান, শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব কিবরিয়া মজমুদর।

এদিকে কনের পক্ষে স্বাক্ষী হয়েছেন- কুমিল্লার জাতীয় পার্টির নেতা খালাতো ভাই লুৎফর রহমান ও ফজলুল করিম।বিকেল পাচটায় কাজী বর কনে দুজনকে স্বাক্ষীদের মাধ্যমে কলেমা পড়ান। নব দম্পতি দুজনে কবুল পড়ার মাধ্যমে শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। এরপর সন্ধ্যা ছটায় মোনাজাত শেষে কনে রিক্তাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে পতাকাবাহী গাড়িতে রওনা রেলমন্ত্রী। মেয়েকে গাড়িতে তুলে দিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা জোস্না বেগম।

মন্ত্রীর বিয়ে দেখার জন্য মীরাখলা গ্রামে স্থানীয় নারী পুরুষ আবাল বৃদ্ধ বনিতার ঢল নামে। আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের যুবক যুবতী মহিলা পুরুষরা দল বেধে বরকে এক নজর দেখার জন্য মুন্সি বাড়িতে এসে উপস্থিত হন। প্রায় শতাধিক স্বেচ্ছাসেবককে মানুষের ভিড় সামলাতে হিমসিম খেতে হয়।

কনে রিক্তাকে নিয়ে রাত সাড়ে আটটায় ঢাকা ফিরেই বেইলী রোডের এক নম্বর বাড়ির দোতলার ফ্ল্যাটে উঠেছেন রেলমন্ত্রী। এজন্য বাসায় বাসর সজ্জাও সাজানো হয়েছে রাজকীয়ভাবে।

শেয়ার

আপনার মন্তব্য করুন

Loading Facebook Comments ...