প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

বিএনপির ১২ সাবেক এমপি যোগ দিচ্ছেন এরশাদের জাপায়?

419
বিএনপির ১২ সাবেক এমপি যোগ দিচ্ছেন এরশাদের জাপায়?

কুমিল্লার একজন প্রভাবশালী নেতা। এমপি নির্বাচিত হয়েছেন একাধিকবার। রাজনীতির শুরু হয়েছিল ছাত্রলীগ দিয়ে।

সেখান থেকে আওয়ামী লীগ নেতা। পরে দল পরিবর্তন করে যান বিএনপিতে। সেখান থেকে জাপায়। আবার জাপা থেকে বিএনপিতে থিতু। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে যোগ দেবে কিনা তা নিয়ে সংশয়। দেশের এই রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আবার দল পাল্টানোর জন্য ওঁত পেতে আছেন কুমিল্লার ওই নেতা।এরশাদের ডাকে সাড়া দিয়ে শিগগিরই জাপায় যোগ দিচ্ছেন তিনি।

একই ভাবে বরিশালের একজন প্রভাবশালী নেতা আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপি গিয়েছিলেন। আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনিও জাপায় যোগ দিচ্ছেন।

আবার নারায়ণগঞ্জের এক বিএনপি নেতা যিনি আবার সাবেক প্রতিমন্ত্রীও, অপর দুজনের মতো তিনিও জাপায় যোগ দিতে যাচ্ছেন।

একাধিক রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতা এক দুজন নয় অন্তত ১২ জন শিগগিরই জাপায় যোগ দিতে পারেন, যারা সবাই অন্তত একবার হলেও সংসদ সদস্য ছিলেন।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দেওয়ায় এই বিএনপি নেতারা দল পরিবর্তন করছেন। দল পরিবর্তন করে হলেও তাঁরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক।

জানা গেছে, বিএনপির এই সাবেক এমপিদের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। চলতি মাসে স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চের আগেই বিএনপির এই সাবেক এমপিরা জাতীয় পার্টিতে যোগ দিতে পারেন। এমনও হতে পারে আগামী ২২ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠেয় জাতীয় পার্টির জনসভাতেই চমক হিসেবে বিএনপির সাবেক এই এমপিরা জাপায় যোগ দিতে পারেন। আর এমনটি ঘটলে তা হবে জাপা চেয়ারম্যান হু মু এরশাদের ঘোষিত চমকের বাস্তব উদাহরণ।

‘নাউজুবিল্লাহ’ বললেন কাদের সিদ্দিকী

ঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের ওপর গুলি চালিয়েছেন। নাউজুবিল্লাহ। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যদি জিয়াউর রহমানের অপমান হয়- এটা মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করা হবে।

টাঙ্গাইলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জিয়াউর ছিলেন শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চ মধ্যরাত পর্যন্ত জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের পক্ষে ছিল, তাই বলে বাঙালিদের ওপর গুলি চালায়নি। প্রকৃতপক্ষে গুলি চলেছিল জয়দেবপুরের টঙ্গীতে। বঙ্গবন্ধুকে যখন খুন করা হয় সফিউল্লাহ সেনাপ্রধান ছিলেন। জিয়াউর রহমানকে খুনি বললে কেএম সফিউল্লাহকে খুনির বাপ বলতে হবে।

শেয়ার

আপনার মন্তব্য করুন

Loading Facebook Comments ...