সমালোচনার পরও পাঠ্যবইয়ে যোগ হচ্ছে না প্রখ্যাত লেখকদের লেখা

11
সমালোচনার পরও পাঠ্যবইয়ে যোগ হচ্ছে না প্রখ্যাত লেখকদের লেখা

শত সমালোচনার পরও নতুন শিক্ষাবর্ষে যোগ হচ্ছে না মাধ্যমিকের পাঠ্যবই থেকে বাদ দেয়া প্রখ্যাত লেখক সাহিত্যিকের ১২টি

লেখা।

চলতি বছরের শুরু থেকেই এ নিয়ে সমালোচনা থাকলেও পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে অনড় শিক্ষাক্রম এবং পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। তবে প্রাথমিকের বইয়ের শব্দগত ভুল শুদ্ধ করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি

প্রথম শ্রেণির শিশুদের বর্ণমালা চেনাতে বিতর্কিত ও লিঙ্গবৈষম্য কেন্দ্রীক শব্দ জুড়ে দেয়া হয়েছিল চলতি বছরের পাঠ্য বইয়ে। ভুলভাবে ছাপা হয় কুসুম কুমারী দাশের কবিতা আদর্শ ছেলে। এছাড়া মাধ্যমিকের বইয়ে বিতর্কিত ১৭টি গল্প কবিতা যোগ করা হয়। কবি জসিম উদ্দীন, হুমায়ূন আজাদের মতো প্রখ্যাত লেখকদের ১২টি লেখা বাদ দিয়ে।

পাঠ্য বইয়ের এমন পরিবর্তনে সমালোচনার আগুন ছড়িয়ে ছিল দেশের সীমানা। আন্তর্জাতিক একাধিক গণমাধ্যম অভিযোগ তোলে একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠির পরামর্শে পাঠ্য বইয়ের এই বদল এনেছে সরকার।

আগামী বছর প্রাথমিকের বইয়ে সামান্য পরিমার্জন হলেও যোগ হচ্ছে না মাধ্যমিকের বাদ পড়া কোনো লেখাই। সরকারের সিদ্ধান্ত তাই বদলাচ্ছে না কোনো বই যুক্তি শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ন চন্দ্র সাহা বলেন, ইচ্ছা করলেই কোনো কিছু পরিবর্তন বা পরিবর্ধন আমরা করতে পারি না। যেগুলো ত্রুটি ছিল সেগুলো পরিমার্জন করে শুদ্ধভাবে মুদ্রণ করেছি।

এবারও বিনামূল্যের বই দিয়ে নতুন বছর শুরু করবে শিক্ষার্থীরা। সব মিলিয়ে ছাপা হচ্ছে ৩৪ কোটির বেশি বই।

মাউশি মহাপরিচালক ড. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, বইগুলো আকর্ষণীয়, মনোরম, সাবলীল ভাষায় এবং নির্ভুল ছাপায় প্রকাশনার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষার মান উন্নয়নে ২০১০ সাল থেকে বছরের প্রথম দিন নতুন বই দিচ্ছে সরকার। প্রতিবছর নতুন বইয়ের ভুল নিয়ে সমালোচনা হলেও এবারের বিতর্কটা ছিল একটু বেশি।

শেয়ার

আপনার মন্তব্য করুন

Loading Facebook Comments ...