মিশরে আইএসের হামলা, লেফটেন্যান্ট-ব্রিগেডিয়ারসহ নিহত ১৮

19
মিশরে আইএসের হামলা, লেফটেন্যান্ট-ব্রিগেডিয়ারসহ নিহত ১৮

মিশরের সিনাই উপদ্বীপে পুলিশের একটি গাড়িবহরে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) হামলায় ১৮ কর্মকর্তা

নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে পুলিশের দুই লেফটেন্যান্ট ও আহতদের মধ্যে একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রয়েছেন।

স্থানীয় সময় সোমবার সিনাইয়ে এ হামলা চালানো হয় বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মিশরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর আলজাজিরা।

হামলা স্থলটি সিনাইয়ের উত্তরাঞ্চলের আল-আরিশ শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।

পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্মকর্তারা জানান, আল-আরিশ শহরের একটি সড়কে পুঁতে রাখা বোমায় বিস্ফোরণ ঘটায় আইএস সদস্যরা। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর চারটি সাঁজোয়াযানসহ একটি গাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়।

বিস্ফোরণের পর আইএস সদস্যরা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

হামলার পর নিজস্ব সংবাদ সংস্থা ‘আমাক’-এ প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় এর দায় স্বীকার করে আইএস।

গত জুলাইয়ের পর সোমবার মিশরে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা চালানো হলো।

জুলাইয়ে মিশরের সীমান্তবর্তী উত্তর সিনাইয়ে অবস্থিত রাফা শহরের নিকটবর্তী দুটি নিরাপত্তা চৌকিতে সন্ত্রাসীরা গাড়িবোমার বিস্ফোরণ ঘটালে ২৩ সেনাসদস্য নিহত হন।

গত দুই বছরের মধ্যে সেনাবাহিনীর ওপর এটিই ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলা। এর দুই মাসের মাথায় আবারও হামলার ঘটনা ঘটল।

এর মাত্র একদিন আগে মিশরের পুলিশ জানিয়েছিল, তারা কায়রো হামলা চালানোর পরিকল্পনায় জড়িত এক সেলের সন্ধান পেয়েছে।

পুলিশ জানায় এরপর তারা কায়রো শহরসংলগ্ন দুটি আস্তানাতে অভিযান চালালে ১০ জন নিহত হন। তবে তারা আইএস সদস্য কিনা পুলিশ তা উল্লেখ করেনি।

উত্তর সিনাই প্রদেশের রাজধানী ও প্রধান শহর আল-আরিশে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিগোষ্ঠীর সংঘর্ষ চলছে বেশ কয়েক বছর ধরে।

এর আগে মিশরের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের লাগাম টেনে ধরতে পেরেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু ২০১৩ সালের জুলাইয়ে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মিশরে সন্ত্রাসবাদী তৎপরতা বেড়ে গেছে।

শেয়ার

আপনার মন্তব্য করুন

Loading Facebook Comments ...